Posts

Privacy Policy – SABBIR

  Privacy Policy – SABBIR Last Updated:  23 May 2022 Welcome to the Facebook page SABBIR . We value your privacy and are committed to protecting your personal information. This Privacy Policy explains how we collect, use, and protect your data when you interact with our page. 1. Information We Collect When you visit or interact with our page, we may collect: Your name and public profile information Comments, messages, and reactions you provide Any information you share with us directly (e.g., via inbox/message) 2. How We Use Your Information We use your information to: Respond to your messages and comments Improve our content and services Provide updates, promotions, or announcements Ensure a better user experience 3. Data Sharing We do not sell or trade your personal information. However, we may share information in the following cases: When required by law With trusted services that help us manage the page (if applicable) 4. Data Security We take reasonable steps to protect ...

গাজওয়াতুল হিন্দ

Image
গাজওয়াতুল হিন্দ  ( উর্দু :  غزوة الهند ‎‎) হচ্ছে  ইসলামের   সর্বশেষ নবি   মুহাম্মাদের  একটি ভবিষ্যদ্বাণী, যেখানে উল্লেখ আছে,  ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম  ও অমুসলিমদের মধ্যে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হবে, যাতে মুসলমানদের বিজয় ঘটবে। [ ১ ] বেশ কিছু হাদিসে মুহাম্মাদ (স.) গাজওয়াতুল হিন্দের ভবিষ্যৎবাণী করেছেন। সাহাবি সাওবান (রা.) কর্তৃক বর্ণিত, মুহাম্মাদ (স.) ভারতের (তৎকালীন সময়ে "ভারত" বলতে পুরো অখণ্ড ভারত বা ভারতীয় উপমহাদেশকে বোঝানো হতো) কথা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের দুটি দল, আল্লাহ্ তা’আলা তাদেরকে জাহান্নাম হতে পরিত্রাণ দান করবেন, একদল যারা হিন্দুস্থানের জিহাদ করবে, আর একদল যারা ঈসা ইবন মারিয়াম (আঃ) এর সঙ্গে থাকবে। এ বিষয়ে সাহাবি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত কয়েকটি হাদিস রয়েছে। সেগুলো নিম্নে পর্যায়ক্রমে উল্লেখ করা হলো : ১ম হাদিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হিন্দুস্থানের জিহাদের আশ্বাস দিয়েছেন। আমি তা পেলে তাতে আমার জান মাল উৎসর্গ করব। আর যদি আমি নি...

নতুন আলুর কেজি ৪০০ টাকা

Image
অগ্রহায়ণ মাস মানেই নতুন ধান, নতুন চাল আর নবান্ন উৎসবের রঙিন আমেজ। তবে এবার বগুড়ার নবান্ন উৎসব শুধু আনন্দ নয়, আতঙ্কেরও বটে। নবান্ন ঘিরে নতুন ফসলের বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য বাড়লেও দাম আকাশচুম্বী। এতে হতাশা ব্যক্ত করেছেন ক্রেতারা। রোববার (১৭ নভেম্বর) সকালে বগুড়ার রাজাবাজার, ফতহে আলী বাজার ও অন্যান্য বাজার ঘুরে দেখা যায়, নবান্নের চাহিদা পূরণে বাজারে প্রচুর নতুন পণ্য উঠেছে। তবে দাম ঊর্ধ্বমুখী। নতুন আলু (পাগড়ি জাত) প্রতি কেজি ৩৬০-৪০০ টাকা, পাতা পেঁয়াজ ৯০-১০০ টাকা, শিম ১০০ টাকা, ফুলকপি পিস ৬০-৭০ টাকা, টমেটো কেজি ২৪০ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা ও কাঁচামরিচ ৮০ টাকা কেজি দরে বিকি হচ্ছে। তবে নতুন আলুর চাহিদা এতটাই বেশি যে, বাজারে তুলনামূলক ছোট এবং মাঝারি আকারের আলুই বেশি দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নবান্ন উপলক্ষে ক্রেতারা যেভাবে নতুন আলুর দিকে ঝুঁকছেন, তাতে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা অনেক বেশি। তাই দামও বেশি। বাজারে আলু কিনতে আসা কল্যাণ চন্দ্র বলেন, ‘নবান্ন আমাদের পরিবারের প্রিয় উৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারও নতুন চাল আর আলু দিয়ে পিঠাপুলি বানিয়ে উৎসব করবো। তবে আলুর দাম একটু বেশিই মনে...

পাকিস্তান থেকে আসা সেই জাহাজে কী এসেছে!

Image
পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে পণ্যবাহী কনটেইনার নিয়ে প্রথম কোনো ফিডার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। কনটেইনার খালাসের পর আবার ইন্দোনেশিয়ার বন্দরের উদ্দেশে ফিরে গেছে সেই জাহাজ। কিন্তু জাহাজ ফিরে গেলেও এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে নানাজন নানা মন্তব্য করছেন। তবে ব্যবসায়ীরা নতুন একটি বন্দরের সঙ্গে সরাসরি পণ্য পরিবহণে যোগাযোগ স্থাপনকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। এ নিয়ে সমালোচনাকে তারা ‘রাজনৈতিক’ বলে মন্তব্য করেছেন। জানা যায়, করাচি বন্দর থেকে গত ১২ নভেম্বর পানামার পতাকাবাহী জাহাজ এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝান ৩৭০টি একক কনটেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। এই জাহাজের শিপিং এজেন্ট ছিল সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর মালিকানাধীন কর্ণফুলী শিপিং লাইন্স। পণ্যবাহী ৩৭০টি কনটেইনার খালাসের পর ২৮৯টি খালি ও একটি পণ্যবাহী কনটেইনার লোড করে পুনরায় ওই জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার বন্দরের উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করে।  বিষয়টি তখনই ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘করাচি থেকে পণ্যবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে, যা ছিল দুই...